মিলিবাগ !
বাগানিদের একটা আতংকের নাম মিলিবাগ। আমরা যারা ছোট বাগানি আছি তারা সহজেই পেস্ট কন্ট্রোল করতে পারি। কিন্তু যাদের অনেক গাছ তাদের জন্য পোকামাকড় সমস্যা নিত্যদিনের সঙী।
এখন গাছে পোকা মাকড়ের আক্রমন সাধারনত তখনি হয় যখন সেই গাছটি কোনো না কোন কারনে স্ট্রেস হয়ে আছে বা দুর্বল হয়ে পরছে। এটা নেচারের একটা কঠিন নিয়ম দুর্বলতা সহ্য করতে পারে না। সাধারনত ঘরের বাইরে পোকা মাকড় হলে আমরা সেটা খেয়াল করি না। দুর্বল গাছ মরে যায় আর সবল গাছ বিভিন্ন নিজস্ব ডিফেন্স দিয়ে প্রতিরোধ করে নিজেদের। আবার এই সব পোকা মাকড় খাওয়ার জন্যউ প্রচুর প্রানী আছে।
যাই হোক আসল কথায় আসি। সাকুলেন্টে মিলিবাগ হলে কি করবেন? আমি আমার খুবি সল্প পরিসরের অভিজ্ঞতা থেকে কিছু কথা শেয়ার করছি।
আমার এ পর্যন্ত একটা সাকুলেন্ট মিলিতে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে। আর ইদানিং গাছ বেড়ে জাওয়ায় আর ১২ মিশালি গাছ হওয়ায় প্রতি মাসেই কোনো না কোনো গাছে এদের ঘুরে বেরাতে দেখি।
সাকুলেন্টের ক্ষেত্রে আমি যেটা করি।
১। প্রতি সপ্তাহে একদিন প্রত্যেকটা গাছ চেক করি কোন পোকা বা সমস্যা হচ্ছে কিনা।
২। যদি কোন সাকুলেন্টে মিলিবাগ দেখি সেটাকে আলাদা করে রাখি
৩। যদি সারা গাছ জুরে একটা বা ২টা মিলিবাগ থাকে তাহলে চিমটা দিয়ে সেটা ধরে মেরে ফেলি আর একটা কটন বাডে হেক্সিসল(যেকোন এল্কোহল) নিয়ে ওই যায়গাটা পরিষ্কার করে দেই। (মিলিবাগ এফিড এ ধরনের প্রানীর উপরের লেয়ার এল্কোহল সহ্য করতে পারে না সহজেই মরে যায়। আর অনেক সময় আক্রান্ত যায়গায় ডিম থাকে যা আমরা খালি চোখে দেখতে পারি না। হেক্সিসল সেগুলা নষ্ট করে দেয়।)
৪।এর পর ওই গাছটা আলাদা থাকে আর প্রতিদিন চেক করি নতুন করে মিলি হল কিনা
৫।যদি ১ সপ্তাহের মধ্যে আবার মিলি আসে আবার সেম প্রসেস ফলো করি।
৬। অনেক সময় দেখা যায় বেশি আকারে মিলি আক্রমন করে এক্ষেত্রে আমি গাছটাকে মাটি থেকে তুলে ফেলি মাটি ফেলে দেই টব ডিটার্জেন্ট পানিতে ধুয়ে নেই।
৭। আর গাছটাকে ভালো করে স্প্রে করে ধুয়ে নেই স্প্রে হাই স্পিডে দিয়ে নেই। এতে ২ ১ টা পাতা খুলে যেতে পারে কিন্তু তা কোন বড় প্রব্লেম করে না। শিকড়ো ভালো করে ধুয়ে নেই। অনেক সময় মিলিবাগ শিকড়েও আক্রমন করে সেটা না ধরতে পারলে গাছ বাচানো কঠিন হয়ে যায়।
৮।এর পর ২ দিন গাছটা আলো বাতাস পায় কিন্তু সরাসরি রোদ পায় না এমন জায়গায় রেখে শুকায় আবার রিপটিং করে ফেলবেন নতুন মাটিতে।
৯। লাগানোর পর গাছটাকে আবার নতুন গাছ যেভাবে সেট করতে হয় সেভাবে সেট করবেন আপনার বাসার ওয়েদারের সাথে।
১০। সাধারনত সাকুলেন্টে আমি কোন কিটনাশক এমনকি নিম ওয়েলো ব্যাবহার করি না। যখন টের পাই এ ছাড়া কোনো উপায় নাই মানে ২ দিক দিয়েই মারা যাবে তখনি ব্যাবহার করি।
যাই হোক আসল কথায় আসি। সাকুলেন্টে মিলিবাগ হলে কি করবেন? আমি আমার খুবি সল্প পরিসরের অভিজ্ঞতা থেকে কিছু কথা শেয়ার করছি।
আমার এ পর্যন্ত একটা সাকুলেন্ট মিলিতে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে। আর ইদানিং গাছ বেড়ে জাওয়ায় আর ১২ মিশালি গাছ হওয়ায় প্রতি মাসেই কোনো না কোনো গাছে এদের ঘুরে বেরাতে দেখি।
সাকুলেন্টের ক্ষেত্রে আমি যেটা করি।
১। প্রতি সপ্তাহে একদিন প্রত্যেকটা গাছ চেক করি কোন পোকা বা সমস্যা হচ্ছে কিনা।
২। যদি কোন সাকুলেন্টে মিলিবাগ দেখি সেটাকে আলাদা করে রাখি
৩। যদি সারা গাছ জুরে একটা বা ২টা মিলিবাগ থাকে তাহলে চিমটা দিয়ে সেটা ধরে মেরে ফেলি আর একটা কটন বাডে হেক্সিসল(যেকোন এল্কোহল) নিয়ে ওই যায়গাটা পরিষ্কার করে দেই। (মিলিবাগ এফিড এ ধরনের প্রানীর উপরের লেয়ার এল্কোহল সহ্য করতে পারে না সহজেই মরে যায়। আর অনেক সময় আক্রান্ত যায়গায় ডিম থাকে যা আমরা খালি চোখে দেখতে পারি না। হেক্সিসল সেগুলা নষ্ট করে দেয়।)
৪।এর পর ওই গাছটা আলাদা থাকে আর প্রতিদিন চেক করি নতুন করে মিলি হল কিনা
৫।যদি ১ সপ্তাহের মধ্যে আবার মিলি আসে আবার সেম প্রসেস ফলো করি।
৬। অনেক সময় দেখা যায় বেশি আকারে মিলি আক্রমন করে এক্ষেত্রে আমি গাছটাকে মাটি থেকে তুলে ফেলি মাটি ফেলে দেই টব ডিটার্জেন্ট পানিতে ধুয়ে নেই।
৭। আর গাছটাকে ভালো করে স্প্রে করে ধুয়ে নেই স্প্রে হাই স্পিডে দিয়ে নেই। এতে ২ ১ টা পাতা খুলে যেতে পারে কিন্তু তা কোন বড় প্রব্লেম করে না। শিকড়ো ভালো করে ধুয়ে নেই। অনেক সময় মিলিবাগ শিকড়েও আক্রমন করে সেটা না ধরতে পারলে গাছ বাচানো কঠিন হয়ে যায়।
৮।এর পর ২ দিন গাছটা আলো বাতাস পায় কিন্তু সরাসরি রোদ পায় না এমন জায়গায় রেখে শুকায় আবার রিপটিং করে ফেলবেন নতুন মাটিতে।
৯। লাগানোর পর গাছটাকে আবার নতুন গাছ যেভাবে সেট করতে হয় সেভাবে সেট করবেন আপনার বাসার ওয়েদারের সাথে।
১০। সাধারনত সাকুলেন্টে আমি কোন কিটনাশক এমনকি নিম ওয়েলো ব্যাবহার করি না। যখন টের পাই এ ছাড়া কোনো উপায় নাই মানে ২ দিক দিয়েই মারা যাবে তখনি ব্যাবহার করি।
বিশাল রচনা লিখে ফেললাম ভুল ত্রুটি শুধরে দিবেন। আর আমাকে অনেক এক্সপেরেয়েন্সড ভাববেন না যেটুকু জানি সেটুকু শেয়ার করি।
বিদ্রঃ সাকুলেন্ট ক্যাকটাস এ প্রতি মাসে বা ২ মাস অন্তর অন্তর ফাঞ্জিসাইড দিবেন।
বিদ্রঃ সাকুলেন্ট ক্যাকটাস এ প্রতি মাসে বা ২ মাস অন্তর অন্তর ফাঞ্জিসাইড দিবেন।
লেখক- Oitijjha Khandker Aurka
Comments
Post a Comment